ভুলগুলো থাক না ভুল
পথে যেতে যেতে থমকে থেমে, হঠাৎ দেখা!
পথিক যেমন পথকে দেখে রোজ,
চোখ দেখে আঁখিপল্লবকে, দেখা না দেখার বাইরে।
এমনিই একদিন বলল সে,
এসো একসাথে চলি, বাড়িয়ে দিয়ে হাত,
আকাশের মতো বিস্তৃত, উদাত্ত সে আহবান।
নিষেধের স্পর্ধা ভেঙে কেবল ভেসে যাওয়াই হল নিয়তি।
মৌন নিথর গোধূলির ম্লান আলোয়
কেবল মৃদু হাসি বিনিময় হয়েছিল সেদিন।
তারপর পাশাপাশি হেঁটেছি অযুত বছর
তবুও সে গহীন অরণ্য অচেনা।
তার কথা জানে কেবল অবিচল দাঁড়িয়ে থাকা সারি সারি দেবদারুর সবুজ উপত্যকারা।
মেঘলা দিনের ধূসর রঙা শাড়ি পরা আকাশলীনা,
কাঁচাবকুল জলে ধোয়া শিশির ভেজা সকাল।
আর জানে দূর আকাশের রাতজাগা একাকীনি তারা।
তোমার তখন একুশ! আমার সবে সতেরো।
একুশ বছর বয়স কী নির্লজ্জ!দুর্দমনীয়!
নিয়মের বেড়ি ভাঙতেই সিদ্ধহস্ত!
ভুলগুলো সব ফুল হতেই তুমি বৃক্ষ হয়ে যাও;
চোখের ঈঙ্গিতেই পাথরের বুক চিরে ঝরনা নেমে যায়….।
আজ জীবনের মধ্যভাগে পিচঢালা কঠিন পথ মারিয়ে শহরের গায়ে মসৃণ কাঁচের দেয়ালে
ফেলে আসা দিনের দিনলিপি খুঁজি।,
মনে হয়, কিছু ভুল থাক না ভুল!


