রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২৬

মিঠুন চন্দ্র দাসের কবিতা

প্রকৃতি ও বিপন্ন নারী

আমরা সভ্যতার সদম্ভ উত্তরণে নটোবর
প্রস্তর আর আধুনিকতা সাইবার
দুনিয়ার এক প্রানবন্ত দৃষ্টান্ত।
সত্যি আমরা বেড়েই চলেছি ক্রমশঃ
গোলমেলে লাগে নিজেকে প্রায়শঃ।
মুখে তো বলি এ সমস্ত হৃদয় আকাশ
জুড়ে রয়েছো তুমি নারী-
তাকে কি দিয়েছি ছেড়ে
একটু জমি খানি।
দেইনি, তবে নিয়েছি কেড়ে সবটুকু
নানান অছিলায়।
বন্দি করেছি পুরুত্বের শৃঙ্খলে
আর প্রত্যন্তে বসিয়েছি
সতীত্বের অগ্নি পরীক্ষায়।
সাজিয়েছি রুচিরম সাজে
পৌরাণিক দ্রৌপদী-সীতা হতে
আজকের নব দুহিতায়।
প্রবৃত্তিটা সবার।
সমস্ত পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি
বিচার করলে বেরিয়ে আসে,
সভ্যতার কদর্য নগ্নচিত্র।
অথচ কথা ছিল সীমাহীন
ভালোবাসায় সিক্ত করে,
তোমার ঐ বহতা নদীর ধারা শান্ত করে রাখবো আর প্রকৃতির মতো সাজিয়ে রাখবো তোমাকে।
নারী কথা রেখেছে, হয়েছে প্রকৃতি।
প্রকৃতির অপরুপ সাজে সেজেছে-
আপন মাধুর্য্য প্রেমের বন্ধনে
যখনই পৌরষত্বের অস্ত্র শাণিত করার নেশায়
কখনো মূর্ছনা স্পর্শ করে
অস্পৃশ্যতায় ঢেলে দেয় কোমল হৃদয়।
আছো চলছে এমন বিপন্নগাথা
সভ্যতার গ্যারাকলে
প্রকৃতি ও বিপন্ন নারী
নির্বাক সমাজ…

লেখক পরিচিতি

মিঠুন চন্দ্র দাস
মিঠুন চন্দ্র দাস
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীর তীরে সিংজুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা: জ্ঞানেন্দ্র চন্দ্র দাস, মাতা: বীণা রানী দাস। শিক্ষাগত যোগ্যতা এম.এ ৷ তিনি গল্প, ছড়া, কবিতা লিখেন ৷ বিভিন্ন সাময়িকীতে এবং বিভিন্ন যৌথ কাব্য গ্রন্থে তার লিখা প্রকাশিত হয়েছে

আরও লেখা

spot_img

সাম্প্রতিক লেখা