শনিবার, মে ১৬, ২০২৬

‘জয়যাত্রা’: মুক্তিযুদ্ধের অমর গাঁথা

সিনেমার একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীতসিনেমার একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

শুরুতেই এ দেশের একটি ছোট্ট সবুজ গ্রামের ছবি এঁকেছেন চলচ্চিত্রকার। যেখানে শান্তি ও সম্প্রীতির এক কোমল পরিবেশ বিরাজ করছিল। দেশের রাজনীতি নিয়ে সে গ্রামের মানুষদের খুব বেশি আগ্রহ না থাকায় মুক্তিযুদ্ধের সাথেও তাদের কোনো সরাসরি যোগাযোগ ছিল না। সেই শান্তিপূর্ণ গ্রামটিতেই এক রাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা এসে সারা গ্রাম জ্বালিয়ে দিল আর তাতে প্রাণ হারায় অনেকে।

এর মাঝে যারা বেঁচে গেল, তারা আশ্রয় নিল এক নৌকায়। আপন দেশ ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ভারত সীমান্ত লক্ষ্য করে চলতে শুরু করল নৌকা। এই মানুষগুলোর অসহায়তা, বেঁচে থাকার সংগ্রাম, মনোজাগতিক দ্বন্দ্ব এবং বিপদ সংকুল পথ অতিক্রমের যাত্রার গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘জয়যাত্রা’।

যুদ্ধের দিনগুলোতে এই প্রবাহমানতার গল্পই ধারণ করেছে ‘জয়যাত্রা’। চিলের মুরগির বাচ্চা নিয়ে যাওয়ার সাথে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গ্রাম তছনছ করে দেওয়ার মত রূপক তুলনাগুলোও এ চলচ্চিত্রে বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী, শাহেদ, ইন্তেখাব দিনার, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, মোশাররফ করিমসহ অনেকে।

মূলত , বিচিত্র চরিত্র এখানে উপস্থাপিত হয়েছে বিচিত্র রঙে। যুদ্ধ কিভাবে ধর্ম বর্ণ- সব বিভেদ ভুলিয়ে দেয় তার চমৎকার নিদর্শন রয়েছে এ চলচ্চিত্রে।

লেখক পরিচিতি

আরও লেখা

spot_img

সাম্প্রতিক লেখা