রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬

পংকজ পালের গল্প-প্রত্যাবর্তন’

মিতা বানুর বিয়ে হয়েছিল আঠার বছর বয়সেই, নিজের পছন্দ করা ছেলেটিকে ভালোবেসে। একই গ্রামের সুদর্শন, সুঠামদেহী যুবক সোহেল মিয়ার সঙ্গে তার দীর্ঘদিন মন দেওয়া-নেওয়া চলছিল। মিতা বানু গ্রামের মেয়ে হলেও স্বাধীনচেতা। তাই সে তার ভালোবাসার কথা, যখন তার বিয়ের কথা চলছিল, সেসময়ে পরিবারকে জানিয়ে দিল। পরিবার থেকে তার ভালোলাগা মেনে নিল না, ওদিকে মিতা বানুও নাছোড় বান্দা, সে তার সিদ্ধান্তে অটল। সে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল- সে যদি বিয়ে করে, তবে সেটা হবে সোহেল মিয়ার সঙ্গেই।

ওদিকে সোহেল মিয়া তার পরিবারকে শত চেষ্টা করেও যখন ব্যর্থ হলো- তখন তারা দু’জন কাজীর অফিসে গিয়ে ভালোবাসার পরিণতি- বিয়ে করে ফেললো। ওরা ভেবেছিল, বিয়ের আগে পরিবার থেকে চাপ দিলেও, বিয়ের পরে পরিবার মেনে নিবে, আজকাল এ রকম ঘটনাতো হচ্ছে। কিন্তু না সোহেল মিয়াকে বাড়ির উঠান পার হতে দেয়নি তার পরিবার। এ বিয়েতে তাদের সম্মতি ছিল না। সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে, তাই দিন-যাপনের সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হবে। সোহেল মিয়া ভালো চাকরি না পাওয়ায়, একটি এন.জি.ও-র আঞ্চলিক শাখায় চাকরি করতো। স্বল্প বেতনের চাকরি। একা কোন রকমে চলা যায়; দু’জনের চলা খুবই কষ্টকর। তারপরও তারা একটি বাসা ভাড়া করলো। নতুন জীবনের হাতছানিতে, সুন্দর স্বপ্ন দেখতে দেখতে আনন্দঘন পরিবেশে মধুময় জীবন যাপন শুরু করলো।

মিতাবানু ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে বসেই ছিল। তাই আশেপাশের বাসায় টিউশনি করতে লাগলো। এরই মধ্যে মিতা বানু ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে। সোহেলের অনুপ্রেরণায় ডিগ্রিতে ভর্তি হলো। শত কষ্টের মাঝেও তাদের দিন কেটে যাচ্ছিল ভালোভাবেই।

এর বছর তিনেক পরের ঘটনা। সোহেল মিয়া বন্ধু বান্ধব আত্মীয়-স্বজনদের নিকট থেকে ধার দেনা করে, মিতা বানুর শত বারণ সত্ত্বেও, এক বছরের শিশু সন্তান রাব্বিকে রেখে কাজের সন্ধানে চলে গেল দুবাইতে। কাজের সন্ধানে, দুঃখ-কষ্টের গ্লানি দূর করতে গ্রাম বাংলার অনেকেই প্রতিবছর এভাবে প্রিয়জনকে ছেড়ে দূর দূরান্তে বিদেশ বিভূইয়ে পাড়ি দেয়। ভাগ্যের অন্বেষণে সোহেল মিয়াও চলে গেল।

প্রথম বছর ঠিকমতো খোঁজ-খবর এবং টাকা পয়সা পাঠালেও তারপর থেকে নিখোঁজ হয়ে গেল সোহেল মিয়া। যে সামান্য টাকা পাঠিয়েছিল মিতাবানু তা দিয়ে বিপুল পরিমাণ ঋণের কিঞ্চিত শোধ করেছিল। সীমাহীন দারিদ্র্য আর দুঃখ কষ্টের সাথে সংগ্রাম করে মিতা বানুর দিন চলছিল। ভাব বেগতিক দেখে কিছুদিন পর তার বড় ভাই তাকে নিজেদের বাড়ী নিয়ে এল।

বাবার বাড়িতে বাবার অবর্তমানে ভাইয়েরা মাতব্বর। নিজের পছন্দ মতো বিয়ে করায় কেউই তাকে ভালো চোখে দেখেনি। এ বাড়িতে তার মানবেতর জীবন শুরু হলো। বিশেষ করে ভাবীদের অত্যাচারের মাত্রা গেল ছাড়িয়ে। তারা কথায় কথায় মিতাবানুকে খোটা দিয়ে, কটু কথা বলে ঝগড়া বাধানোর চেষ্টা করতো। মিতা বানু সব বুঝেও সহ্য করে থাকতো। সংসারের যাবতীয় কাজ এখন মিতা বানুই দেখাশোনা করে। রান্না ঘর থেকে শুরু করে কৃষি-গৃহস্থালি সব কাজই তাকে করতে হয়। এভাবেই দিন চলতে থাকে। রাব্বি হাটি হাটি পা পা করে বড় হচ্ছে, আধো আধো বুলিতে কথা বলছে। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের পরও মিতা বানুর চোখে ঘুম নেই। কি এক নিঃসঙ্গতায়, কি এক আকুলতায় ছটফট করে সে। জীবনের যেটুকু সময় হাসি ভালোবাসায় অনাবিল সুখে থাকার কথা, সেই সময়টুকু তাকে নিদারুণ দারিদ্র্য আর সীমাহীন কষ্টের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মাঝে কাটাতে হচ্ছে। তার মনে পড়ে সোহেলের কথা, সোহেলের সাথে প্রথম পরিচয়, কত-শত দেখা- কথা, মান-অভিমান তারপর বিয়ে… কিন্তু এমনটি তো সে চায়নি। সে চেয়েছিল ভালোভাবে বাঁচতে। কে তাকে ভালোবাসায় পরশ দিবে? সোহেল মিয়া কোথায় আছে? কেমন আছে? যেখানেই থাকুক খোদাপাক যেন তাকে ভালো রাখে। এসব আকুলি-বিকুলি ভাবনায় ভোর হয়। অনেক রাত নির্ঘুম কেটে যায় তার। আত্মীয়-স্বজন সবাই যখন অনেক খোঁজ করেও সোহেল মিয়ার কোন সন্ধান পেল না, তখন অনেকেই ভাবলো সোহেল মিয়া হয়তো মারাই গেছে। গ্রামে গঞ্জে এ রকম ঘটনা কারও কারও ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। বিদেশে কাজ করতে গিয়ে কেউ কেউ মারা যায়। স্বজনেরা তার লাশটাই পায় না।

আবার কেউ কেউ ভাবলো, বিদেশে গিয়ে হয়তো সে মিতাবানুকে ভুলে গেছে এবং অন্য কোন মেয়েকে বিয়ে করে সংসার পেতেছে। বিত্তের লোভে ভালোবাসার বউকে ভুলে গেছে। বৈচিত্র্যময় পৃথিবীর সবচেয়ে বৈচিত্র্য হচ্ছে মানুষের মন। তাই পরিবেশ পরিস্থিতিতেই হোক কিংবা যেভাবেই হোক না কেন মনের পরিবর্তন অস্বাভাবিক কিছু নয়। সে হয়তো বিয়েই করেছে। এভাবেই দিন চলতে লাগলো। মিতা বানু সংসারের যাবতীয় কাজ কর্ম দেখাশুনা করতে করতে যন্ত্রমানবে পরিণত হয়েছে। রাব্বিটা বড় হয়েছে, স্কুলে ভর্তি করানো দরকার। কিন্তু এ ব্যাপারে কারো কোন আগ্রহ নেই। মিতা বানু অবশেষে নিজেই বড় ভাইয়ের অনুমতিক্রমে রাব্বিকে নিয়ে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দিল।

রাব্বিকে স্কুলে ভর্তি করানো নিয়ে ঘটলো বিপত্তি। সংসারের কেউই লেখাপড়ার খরচ বহন করতে রাজী নয়। ভাবীদের চাপের মুখে ভাইয়েরাও চুপ হয়ে গেল। পরে অনেক অনুরোধ করার পর বড় ভাই রাজী হলো। মিতা বানুকে সবাই নতুন করে সংসার করার জন্য চাপ দিলো। সবাই বোঝাল এই তো জীবনের শেষ নয়, সামনে অনেক সময় পড়ে রয়েছে। ছেলেটাকে বড় করতে হবে, নিঃসঙ্গভাবে একটি সুন্দর সরল নিষ্পাপ জীবন শেষ হতে পারে না। এদিকে অত্যাচারের মাত্রা গেল বেড়ে, ভাবীরা তাকে নানাভাবে নির্যাতন শুরু করলো। মিতাবানু একমাত্র সন্তানের জন্য সব কিছু নীরবে সহ্য করতে লাগলো। সময়ের আবর্তনে অনেকগুলো বছর পার হলো, সোহেল মিয়ার কোন খোঁজ খবর নাই। আশেপাশের গ্রামের যারা দুবাইতে থাকে, তাদের মাধ্যমেও খোঁজ করে যখন তার কোন সন্ধান মিললো না, তখন সবাই ভেবে নিল যে, সোহেল মিয়া মারাই গেছে।

তাই মৃত সোহেল মিয়ার শান্তি কামনা করে মিলাদ পড়ানো হলো। বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার দিনে রাব্বি মাকে নিয়ে স্কুলে গেল। মিতা বানুকে দেখামাত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক গ্রামেরই সন্তান প্রিয়তোষ স্যার, ডেকে পাঠালেন। প্রিয়তোষ স্যার মিতাবানুরও শিক্ষক। প্রিয়তোষ স্যার বললো- রাব্বি সেকেন্ড হয়েছে, তবে ওর প্রতি কেয়ার নিলে ও আরো ভালো করতো।

মিতা বানু চুপ করে রইলো। প্রিয়তোষ স্যার বললেন- তুমি আমারও ছাত্রী। আমি তোমাকে চিনি-জানি, সোহেলও আমার ছাত্র, সেও অমায়িক ছিল। তারপরও যা হয়েছে ভাগ্যকে মেনে নিয়ে পিছনের দিকে না তাকিয়ে, সামনের দিকে এগিয়ে যাও, বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে জীবন যুদ্ধে জয়ী হও, তুমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দরখাস্ত করো, সরকার মেয়েদের জন্য বিশেষ সুযোগ করে দিয়েছে, আমি আশা করি, তোমার চাকরি হবে।

ফলাফল ঘোষণার পর রাব্বিকে নিয়ে মিতা বানু বাসায় ফিরে এলো। তার কানে প্রিয়তোষ স্যারের কথাগুলো ধ্বনিত হতে লাগলো। তাই সে যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করলো।

ভাগ্য মিতা বানুকে সাহায্য করলোই বটে, তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিটা হয়ে গেল। তাই সে স্কুলের কাছাকাছি একটি বাসা নিয়ে রাব্বি এবং তার মাকে নিয়ে চলে এলো। কারণ সে ভালো ভাবেই জানে তার বৃদ্ধা মাকে সে চলে যাওয়ার পর ভাবীদের নির্যাতন পোহাতে হবে। সব কিছু মিলে, নতুন জীবনের সন্ধান পেল মিতাবানু এবং পরম করুনাময়কে কৃতজ্ঞতা জানালো- প্রিয়তোষ স্যারকে দিয়ে এইভাবে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য। তা না হলে মিতা বানুকে ওখানেই সারা জীবন কাটাতে হতো।

গ্রাম তথা ইউনিয়নের সবাই মিয়া বাড়ীর ছেলে, সোহেল মিয়ার কথা ভুলে গেলো। এরই মধ্যে সময়ের আবর্তনে, সমাজের অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে।

মিয়া পরিবারে অনেক নতুন শিশু জন্ম নিয়েছে, আবার অনেকেই মারাও গেছে। যারা মারা গেল তারা শেষ বারের মতো সোহেল মিয়াকে দেখতেও পেল না। মোটামুটি ভাবে কেটে যাচ্ছিল সবার জীবন। এই ভাবেই রাব্বি এস.এস.সি পরীক্ষার্থী।

হঠাৎ একদিন সন্ধ্যে বেলা ঘটলো এই ঘটনার ছন্দপতন। গ্রামবাসীর চোখ ছানাবড়া, মিতা বানু অজ্ঞান হলো। রাব্বি কিছু না বুঝে দৌড়ে মায়ের কাছে গেল। আশেপাশের লোকজন হৈ চৈ করতে লাগলো। ঘটনা হচ্ছে- প্রায় দেড়যুগ আগে মৃত সোহেল মিয়ার সশরীরে গ্রামে প্রত্যাবর্তন।

সারা গ্রামময় জানাজানি হয়ে গেল- সোহেল মিয়া ফিরে এসেছে। সবাই ছুটে এলো মিতা বানুর বাড়ীতে। যারা সোহেল মিয়াকে চিনতো তারা বিস্ময় চোখে, আর যারা চিনতো না, তারা উৎসুক চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইল। প্রিয়তোষ স্যারকে দেখেই সোহেল মিয়া যেন একটু স্বস্তি ফিরে পেল। জিজ্ঞেস করল- কেমন আছেন? তখনও অনেকেরই ঘোর কাটেনি। তাই সোহেল মিয়া বলল- তার জীবনের রূপকথার গল্প দুবাইতে কাজ করার পর, আমি এক দালালের খপ্পরে পড়ি, আমাকে বেশি পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অন্য দেশে পাঠিয়ে দেয়। আমাদের সাথে আরও কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে, পরে জেনে ছিলাম লোকটি দালাল ছিল এবং আমাদের সবার দশ বছরের সাজা হয়েছিল। বাইরের কারো সাথে যোগাযোগ নেই, পালাতে চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। স্ত্রী সন্তানের কথা ভেবে আমার খুব কষ্ট হয়েছে। ছেলেটা না জানি কত বড় হয়েছে, কেমন হয়েছে এই ভেবে ভেবে দশটি বছর কেটে গেল। সাজা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তখন আরো সমস্যা হলো, জেল খানায় তবুও দু’বেলা খেতে পেয়েছি, কিন্তু এখন পকেটে টাকা নেই, কি খাব, কোথায় যাব? এভাবে অনাহারে অর্ধাহারে না ঘুমিয়ে দিন কাটতে লাগল পথে পথে। এক বাবুর একটু উপকার করাতে, আমার প্রতি তার দয়া হলো, সে আমাকে একটি চাকরি দিল। কিন্তু শর্ত হলো কারো সাথে যোগাযোগ করা যাবে না। তবুও আশা ছাড়িনি। বউ ছেলের জন্য কষ্ট হয়। আমার আচার আচরণে সবাই সন্তুষ্ট ছিল। সুপারভাইজারকে বলি দেশে ফেরার কথা, কাজ হয় না। পরে মালিক বাবুকে সব ঘটনা খুলে বলি। আমার প্রতি বাবুর বিশ্বাস ছিল একটু বেশি, তাই সে আমাকে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে দিল। আমাকে সমুদয় বেতন ও বকশিশ দিয়ে বিদায় জানাল এবং একটি কার্ড দিয়ে বলল, প্রয়োজন হলে আমি যেন তার সাথে দেখা করি। এইতো জীবনের রূপকথার গল্প। পথে আসতে আসতে রিক্সাওয়ালা রহিম ভাইয়ের কাছে মিতার সব ঘটনা শুনলাম। মালিক বাবু আমাকে বার বার বলেছে আমি যেন প্রয়োজনে তার কাছে ছুটে যাই।

এমন সময় মিতা বানু বলল না-গো-না আমরা দু’বেলা শুধু ডাল ভাত খেয়ে থাকব, তবুও তোমাকে যেতে দেব না, প্রয়োজনে খাবার ভাগ করে খাব।

লেখক পরিচিতি

পংকজ পাল
পংকজ পাল
তরুণ গল্পকার ও কবির জন্ম ১৫ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলায় ৷ বি.এস.সি (অনার্স), এম.এস.সি ; এল.এল.বি; শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ তার প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ৷ কাব্যগ্রন্থ-'নিঃসঙ্গতার মেঘমালা' ও গল্পগ্রন্থ-'আকাশের নীল রং' এবং যৌথগ্রন্থ-চল্লিশের বেশি ৷ জেলার উদীচী, প্রগতি লেখক সংঘ, খেলাঘর, প্রথম আলো বন্ধুসভা, উত্তরণসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন ৷ বর্তমানে সম্পাদনা করছেন-'পলিমাটি','অন্তরঙ্গ 'ও 'চিন্ময়ী'৷ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে জেলা পর্যায়ে আয়োজিত ৩১তম বিজ্ঞান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০০৯-১০ খ্রিস্টাব্দে সিনিয়র গ্রুপে প্রথম স্থান, কবিতা সংসদ সাহিত্য পদক-২০১৪, বাংলাদেশের লেখক-'লেখক ডিরেক্টরি'র অন্তর্ভূক্ত-২০১৪, কাব্য চন্দ্রিকা একাডেমি পদক-২০১৭, লিখিয়ে কাব্য সাহিত্য সম্মাননা-২০১৮, পল্লী কবি জসীমউদ্দীন স্মারক-২০১৮, কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি স্মারক ও সম্মাননা-২০২২ পেয়েছেন ৷ মেইল : pankajprenoy@gmail.com/ paulpankaj864@gmail.com

আরও লেখা

spot_img

সাম্প্রতিক লেখা