শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৬

ভজন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস-‘চন্দ্রমুখী জানালা’|| পর্ব-০৯

নয়.

গেদের লোকাল ট্রেনে শরণার্থী দল

দুপুর গড়িয়ে বিকেল পড়তে তখনও অনেক বাকি। প্লাটফর্মে দাঁড়ানো লোকাল ট্রেনে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে অপেক্ষমান যাত্রীরা। অধিকাংশই সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরত যাওয়া শরণার্থী। শরণার্থী জীবনের এ বছরাধিক সময় দয়াদাক্ষিণ্য ও অন্যের কৃপায় বেঁচেবর্তে থাকতে হয়েছে এদের অনেককেই।

জন্ম-নেয়া দেশ, সংসার, ব্যবসাবাণিজ্য সব কিছু ফেলে শুধু প্রাণটা নিয়ে চলে আসতে হয়েছে এদের। তাই প্রায় প্রত্যেকেই যেন ডাঙা থেকে অথই জলে পড়েছে শরণার্থী হয়ে। বাসস্থান নেই। খাবার নেই। পরিধেয় বস্ত্র নেই। অন্যের কাছে হাত পাততে প্রথম প্রথম একটু সঙ্কোচ হলেও পরে আর লজ্জা-শরমের বালাই ছিল না বেঁচে থাকার প্রয়োজনে। রিলিফের লাইনে শৃঙ্খলা মেনে দেখা গেছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পর আর কোনো রিলিফই মেলেনি ভাগ্যে। অনেকে হয়ত জীবনে এই প্রথম সাহায্যের হাতটুকু বাড়িয়েছে। শরণার্থীদের অনেকেই মফস্বল শহরের ব্যবসা-বাণিজ্য ফেলে শূন্যহাতে এসেছে। অনেক পরিবারের মেয়ে-বউ বাইরেই যায়নি কোনোদিন। অথচ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হচ্ছে এখন। রিলিফের চাল পেলে রান্না হবে, নইলে উপোস থাকতে সবে গুষ্ঠিশুদ্ধ। প্রথমে প্রথম একটু লজ্জা হলেও প্রয়োজন এমনি এক অপরিহার্য ব্যাপার যে, বিশৃঙ্খলাই নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে উঠেছে এই দীর্ঘ শরণার্থী জীবনে। তাই শৃঙ্খলা ব্যাপারটাই পলাতক এদের অনেকের কাছেই।

লাইন ভাঙার সে অভ্যেসটুকু এদের এখনো তেমনি আছে, লক্ষ করলেন বাবা। ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে যে যার মতো ট্রেনে উঠে পড়ছে। সেই সাথে জানালা দিয়ে যে যেমন পারে জিনিস পত্র ছুঁড়ে দিচ্ছে। প্রথমে চরম বিরক্তি লাগলেও মুহূর্তেই এক অজানা আত্মতৃপ্তিতে ভরে উঠলো বাবার মন। এই লক্ষ লক্ষ মানুষগুলোর জন্যই তো এত কষ্ট, এত রক্তপাত, এত যুদ্ধ। স্বল্প পরিসরে হলেও সে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারার আনন্দ বাবা আজ বাস্তবিকই অনুভব করতে পেরেছেন, এটা ভেবেই সান্ত্বনা খুঁজে পেলেন।

কোনো রকমে একটা কামরায় উঠে পড়লেন শেষমেষ। প্যান্ট-শার্ট পড়া এক ভদ্রলোককে দেখে একজন সমীহ নিয়ে একটু জায়গা দিলেন বাবাকে। কোনো রকমে ট্রেনের বেঞ্চে ঠাসাঠাসি করে বসলেন। মুখোমুখি বেঞ্চের মাঝখানের জায়গায় দাঁড়িয়ে গেল আরও জনাপাঁচেক মানুষ। ভিতরের এক ভ্যাপসা গরমে দম আটকে যাবার অবস্থা।

একটু পরে ট্রেনের হুইল বেজে ওঠলো। পাশে বসা লোকটি তার পরিবারের সবাই উঠেছে কি না নিশ্চিত হতে শেষবারের মতো স্ত্রীর দিকে সজোরে হাঁক দিলো, হ্যাঁগো শুনছো নিমাইয়ের মা, পুলাপান সব উঠতি পেরেছে তো? না তুমি তোমার পোটলার দিকেই নজর রেখেছো?”

বাবা বুঝতে পারলেন ভদ্রলোক নিশ্চয় কুষ্টিয়া কিংবা রাজবাড়ীর লোক। কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ইন্টারমেডিয়েট পড়েছেন দুই বছর। তাই এ অঞ্চলের ভাষা শুনেই বোঝা যায়। নিমাইয়ের মা মাথা গুনতি করে নিশ্চিত হয়ে নিমাইয়ের বাবাকে নিশ্চিত করলেন। চলন্ত ট্রেনের জানালা দিয়ে মানুষের ভিড় ঠেলে এক পশলা মিহি বাতাস পরিবেশকে একটু শীতল করেছে তখন।

বাবা পাশের ভদ্রলোককে বললেন, “দাদা তো ফেরত যাইতাছেন, তা রাজবাড়ী, না কুষ্টিয়া?”

ইচ্ছে করেই পূর্ববঙ্গের ভাষা বললেন। নিমাইয়ের বাবাও পূর্ববঙ্গের ভাষা শুনে আলাপ শুরু করলেন, “আমার বাড়ি ছিল গোয়ালন্দ, কানাইপুর। তা বাড়ি যাইতেছি আর বলি কী করে? বাড়ি কি আর আছে? মুছলমানে দখল কইরা নিছে কি না কে জানে? তবু যাইতাছি নিজের বাপের ভিটা। জন্মভূমি। এই শরণার্থী জীবন থ্যাইকা তো ভালো? তা দাদার সাথে ফ্যামিলি দেখতাছি না?”

বাবা বললেন, “আসলে আমি ‘জয় বাংলা’ থেকে এলাম এই সপ্তাহখানেক আগেই। কলকাতায় উঠেছিলাম বন্ধুর বাড়িতে। এখন এদিকে যাচ্ছি আত্মীয় বাড়িতে। নেমে যাব আর কিছুক্ষণ গেলেই।”

‘জয় বাংলা’ মানে সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে এসেছে শুনে নিমাইয়ের বাবা আরও একটু ঘেষে বসলেন। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোও যেন এদিকে মুখ ফিরে তাকালেন। সবাই ‘জয় বাংলার’ খবর জানতে চায়।

“দাদা, আপনি কোথায় থাকেন? বাড়ি কোথায়? যুদ্ধের সময় কিভাবে বেঁচে থাকলেন? ‘জয় বাংলার’ খবর কী? শেখ সাব কি ক্ষমতা বুঝে নিয়েছেন? রাজাকার আলবদরেরা এখনো বেঁচে আছে? ইন্ডিয়ান আর্মি কি চলে এসেছে ‘জয় বাংলা’ থেকে?” এক সাথে হাজারটা প্রশ্ন চারদিক থেকে।

মুহূর্তের মধ্যেই প্রচণ্ড ভিড়ে ঠাসা ট্রেনের কামরায় সবার মধ্যমণি হয়ে উঠলেন বাবা। অনেক দিন পর যেন একান্ত আপনজনকে কাছে পাবার আনন্দ সবার চোখে মুখে। মুক্তিযুদ্ধের গল্পকথায় রাণাঘাট-গেদের লোকাল ট্রেনের কামরা তখন যেন বুদ হয়ে আছে।

অত্যন্ত ধীর গতিতে চলা ট্রেনটি এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশন পার করতেই অনেক সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের গল্পের মৌতাত শেষ হতেই
বাবা একটু বাইরে তাকালেন। বনগাঁ বেনাপোলের গ্রামের চেয়ে অনেক পার্থক্য নদীয়া জেলার এ গ্রামগুলোর। অনেকটা পূর্ববঙ্গের মতোই। টিনের চালা ঘর। কাঠ কিংবা পাটখড়ির বেড়া। কোথাও কোথাও টালির ঘর। গাছপালা, মাটির রঙ সে সবেও এক আশ্চর্য মিল।

ট্রেনের ভিড়ের মধ্যেই টুকটাক গল্প করছেন বাবা। কানাইপুরের নিমাইয়ের বাবাও তার সুখ-দুঃখের নানা কথা বাবাকে অকপটে বলে একটু হালকা হচ্ছেন। গোয়ালন্দ ঘাটে পাটের আড়ত ছিল ভদ্রলোকের। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হতেই পাকিস্তানি মিলিটারিরা সে গুদাম ঘর পুড়িয়ে দেয়। তবুও আশায় বুক বেঁধে ছিলেন। সব কিছু হয়ত এক সময় ঠিক হয়ে যাবে।

কিন্তু পরের মাসেই রাজাকার-আলবদরেরা কানাইপুরের বাড়ি লুট করল এক রাতে। কোনো রকমে নিজের বাড়ির মেয়ে-বউদের ইজ্জত রক্ষা করতে পারলেও পাশের বাড়ির যুবতী মেয়েটিকে তুলে নিয়ে গেল গ্রামেরই রাজাকারেরা। পরের দিন সকালে গোয়ালন্দ-ফরিদপুর সড়কের পাশে খাদের মধ্যে মেয়েটির ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া গেল। সেদিন রাতেই গেদে বর্ডার দিয়ে রাণাঘাট শরণার্থী শিবিরে চলে এলেন তিনি।

কানাইপুরের ভদ্রলোকের দীর্ঘশ্বাসে ছেদ পড়ল চলতি ট্রেনের ব্রেকের শব্দে।

“দাদা, মনে হয় বাগুলি এসে পৌঁছলাম এতক্ষণে। আপনার তারকনগর আরও কয়েকটা স্টেশন।” বাবার দিকে তাকিয়ে বললেন ভদ্রলোক।

বাবা মাথা নেড়ে সম্মতি জানালেন, দিন থাকতে পৌঁছতে পারলেই হলো। শুনেছি স্টেশন থেকে বেশি দূরে নয়। তাছাড়া শ্বশুর মশাই স্কুলের টিচার। সবাই চেনেন তাঁকে। জিজ্ঞেস করলেও হয়ত বলে দেবে সবাই।

একথা বলতেই সামনে দাঁড়িয়ে খাকি পোশাকের এক মিলিটারি জওয়ান বাংলায় জিজ্ঞেস করছে বাবাকে, “এই যে, তুমি কি কলকাতা থেকে এলে?”

হঠাৎ করে অপরিচিত কাউকে তুমি করে সম্বোধনে বাবা একটু হকচকিয়ে গেলেন। বিরক্তও হলেন খানিকটা। তবুও ইন্ডিয়ান আর্মির লোক দেখে একটু সমীহ সহকারে উত্তর দিলেন, “জি, কলকাতা থেকেই তো।”

একটু মাঝবয়সী জওয়ান বাবার উত্তর শুনে হঠাৎ করে পেছন ঘুরে দাঁড়াল। কামরা ভর্তি প্যাসেঞ্জারের মধ্যে দিয়ে দূরে দাঁড়ানো কাউকে হিন্দিতে এদিকে আসতে বললেন তাড়াতাড়ি।

আরও কয়েকজন জওয়ান মুহূর্তের মধ্যেই অত্যন্ত ক্ষিপ্রগতিতে বাবার সামনে এসে দাঁড়াল। কামরার অন্যান্য যাত্রীদের থেকে একেবারে পৃথক করে ফেলল এদিকের মুখোমুখি অবস্থিত বেঞ্চ দুটিকে।

মুহূর্তের মধ্যেই পরিবেশটা কেমন এক ভয়াবহ আকার ধারণ করল। হঠাৎ করে বাবার মাথায় এলো বন্ধু অমলের সাবধান বাণী। এখন তো নকশালীদের খতম চলছে সারা পশ্চিমবঙ্গে। তবে তাকেও কি নকশাল ভেবেই এতসব করছে মিলিটারি জওয়ানেরা?

এরপর হিন্দি আর বাংলায় শুরু হলো জেরা। বাবা প্রথমে শুদ্ধ বাংলায় উত্তর দিলেও পরে ঢাকাইয়া ভাষায় সব প্রশ্নের উত্তর দিতে লাগলেন। হিন্দি একদমই বলতে অভ্যস্ত নন। কিন্তু হিন্দিটা বোঝা যায় পুরোটাই। বাবা বুঝলেন, অফিসার মতো দেখতে বাঙালি লোকটা বাবাকে পরীক্ষা করছেন আসলেই তিনি পূর্ববঙ্গের, নাকি উত্তরবঙ্গের ছদ্মবেশী নকশাল?

কিছুতেই মিলিটারি জওয়ানদের বিশ্বাস করানো যাচ্ছে না যে, বাবা সদ্য- স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে এসেছেন আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিতে। প্রায় মিনিট কুঁড়ি জেরার পরও যখন ওরা সন্তুষ্ট হচ্ছে না, তখন বাবা আসলেই ভয় পেয়ে গেলেন। যদি নামিয়ে নিয়ে যায় তাঁকে, তবে কে তাকে রক্ষা করবে? হয়ত পরে প্রমাণিত হবে তিনি আসলে নকশাল আন্দোলনের কেউ নন। কিন্তু তার আগেই তো বেঘরে প্রাণটা চলে যাবে।

দূরে দাঁড়িয়ে জওয়ানেরা নিচুস্বরে হিন্দিতে শলাপরামর্শ করতে লাগলেন। তারপর কাছে এসে অফিসার মতো দেখতে বাঙালি ভদ্রলোক হাত ইশারা দিয়ে বললেন, “এই তোকে আমাদের সাথে যেতে হবে। নেমে আয়?”

এতক্ষণের সে আশঙ্কাই যে বাস্তব প্রমানিত হবে, তা দেখে বাবা ভয়ে কাঁপতে লাগলেন। বললেন, “দেখেন আমি তো আপনাদের বারবার বলতাছি, আমি ‘জয় বাংলার’ মানুষ। এপারে আত্মীয় স্বজন্দের খোঁজ নিতে আইছি।”

“হ্যাঁ তোকে আত্মীয় বাড়িতেই পৌঁছে দেব। বললি না শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিস। তোকে জামাই আদরে শ্বশুরবাড়ি পাঠাব। নেমে আয়, চটজলদি।”

এক ঘণ্টা ধরে এ কামরাতে শরণার্থীদের কাছে বাবাই হয়ে উঠেছিলেন মধ্যমণি। অথচ সেই ভদ্রলোককেই মিলিটারি জওয়ানেরা নামিয়ে নিতে চাচ্ছে দেখে সবাই আশ্চর্য হয়ে গেছে। কামরা জুড়ে নিস্তব্ধতা। এ ওর দিকে তাকাচ্ছে কিন্তু কিছুই বলতে সাহসী হচ্ছে না কেউ।

হঠাৎ করে পাশে বসা কানাইপুরের ভদ্রলোক বলতে লাগলেন, “আরে কি হইতাছে এতক্ষণ? আমি এতক্ষণ ধইর‍্যা শুনতাছি। কিছুই কইতাছি না। কি পাইছোস তোরা? ইচ্ছা হইলেই যে কাউরে নকশাল বানাইয়া খতম কইরা দিবি? ও তো আমাগো গ্রামের পোলা। আমাগো লইতে আইছে। ওরে নামাইয়া নিলে আমরাও নাইম্যা যামু ট্রেন থনে। ওই নিমাই, ও বলাই তোর কাকারে ওরা নামিয়া নিব। নামতো দেহি কোথায় নিতে চায়?”

মুহূর্তের মধ্যেই কামরা শুদ্ধ ‘জয় বাংলায়’ শরণার্থীরা প্রতিবাদ করে উঠলো। বাবা তখনও বেঞ্চিতে বসে আছেন। সবার সমস্বরে প্রতিবাদ দেখে ইন্ডিয়ান মিলিটারির জওয়ানেরা একটু পিছু হটলো মনে হলো। আবার নিজেরা হিন্দিতে কিছুক্ষণ শলাপরামর্শ করে ভিড় ঠেলে ট্রেন থেকে জওয়ানেরা যখন নেমে গেল, ট্রেন তখনি চলতে আরম্ভ করেছে।

এক ঘোরতর বিপদের মুখে পড়েও অলৌলিকভাবে রক্ষা পেয়ে বাবা পাথরের মতো নিশ্চল বসে আছেন। কানাইপুরের ভদ্রলোক বাবার ঘাড়ে হাত রেখে বললেন, “দা দিনকাল এখানে খুউব খারাপ। শালারা মানুষ মারছে পাখির মতো। আপনাদের মতো যুবক দেখলে তো রক্ষা নেই। নকশাল মনে কইরা কত নিরীহ মেধাবী ছেলেগুলোরা যে মারছে এখন। সামনের কয়েক স্টেশন পরেই মনে হয় তারকনগর।”

বাবা শক্ত করে ভদ্রলোকের হাত ধরে আছেন অনেকক্ষণ। হঠাৎ মুখে এক নোনতা স্বাদ পেতেই বুঝলেন চোখ থেকে অঝোর ধারায় জল গড়িয়ে পড়ছে।

(চলমান)

লেখক পরিচিতি

ভজন সরকার
ভজন সরকার
ভজন সরকারের জন্ম বাংলাদেশের ঢাকা জেলার ধামরাইয়ের মামাবাড়িতে । বেড়ে উঠেছেন মানিকগঞ্জ জেলার পশ্চিমের জনপদে ।বাবা-মা দু’জনেই স্কুল শিক্ষক । ভজন সরকার মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়েছেন তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনে। তারপর ঢাকা কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(বুয়েট) এবং কানাডার উইন্ডসর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পুনরায় স্নাতক এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর শেষে কানাডায় স্থানীয় সরকারী সংস্থায় প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছেন কানাডার ওন্টারিও প্রদেশের হ্যামিল্টন শহরে। বর্তমানে সিটি অব হ্যামিল্টনের ৩০ বছরের মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত। প্রথম বই ‘বিভক্তির সাতকাহন’ ‘মুক্তিচিন্তা প্রকাশনী’ থেকে প্রকাশের পরই ব্যাপকভাবে আলোড়িত এবং আলোচিত সবমহলেই। প্রধানত কবি হ’লেও লিখছেন নিবন্ধ, কলাম ও উপন্যাস বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক এবং সাপ্তাহিক পত্রিকায়। প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ হ’লোঃ বিভক্তির সাতকাহন ( প্রবন্ধ)- মুক্তিচিন্তা প্রকাশনী; ক্যানভাসে বেহুলার জল ( কাব্য)- নন্দিতা প্রকাশ; বাঁশে প্রবাসে ( প্রবন্ধ রম্যরচনা)- নন্দিতা প্রকাশ ; রেড ইন্ডিয়ানদের সাথে বসবাস (প্রবন্ধ)- নন্দিতা প্রকাশ; চন্দ্রমুখী জানালা ( উপন্যাস) - নন্দিতা প্রকাশ ।

আরও লেখা

spot_img

সাম্প্রতিক লেখা