গানে গানে বঙ্গবন্ধু
পংকজ পাল
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৷ একজন অবিস্মরনীয় নেতা ৷ যার নেতৃত্বে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগন পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে এবং এই প্রতিবাদে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীনতাকামী মানুষ সশস্র যুদ্ধে অংশ নেয় ৷
বাংলাদেশের স্বাধীনতা নামক মহাকাব্যের মহাকবি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৷ বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ আলাদা কোন শব্দ নয় ৷ বঙ্গবন্ধুর মাঝেই বাংলাদেশ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিহিত ৷ ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ এবং একটি জাতির উন্মেষ এটি সম্ভব হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর কারনেই৷
সারা বিশ্বের কাছে তিনি ছিলেন রাজনীতির কবি বা পোয়েট অব পলিটিক্স ৷ যারা সেসময়ে এই নেতাকে কাছ বা দূর থেকে দেখেছেন তারা বলেছেন-“এই নেতার অবদান ও তাঁর রাজনৈতিক জীবন পরিপূর্ণভাবে জানা আজও সম্ভব হয়নি ৷ তাঁর সহযোদ্ধা কান্ডারীরা বলছেন-“তাঁর মত বিচক্ষণ,দয়ালু নেতা বিশ্বে আর আসেননি ৷” তিনি বাংলাদেশের প্রাণভোমরা, মুক্তির দূত কিংবা জাতির পিতা ৷ যেভাবেই অভিহিত করা হোক বঙ্গবন্ধুর জন্য কোন উপমাই সঠিক মনে হয় না ৷ তবুও কাব্যে -গানে-সুরে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের কমতি নেই ৷ এই মহান নেতার নামে লেখা হচ্ছে-নতুন গান,নতুন কবিতা,নতুন গল্প আর নতুন প্রসঙ্গ ৷
চিন্তা চেতনায় এই মহান নেতা ছিলেন সময়ের চেয়ে এগিয়ে ৷ তিনি অবসরে পড়ে থাকতেন শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে ৷ দেশ ও দেশের বাইরের গল্প,কবিতা,চলচ্চিত্র এমনকি চিত্রকলায় ছিল বঙ্গবন্ধুর আগ্রহ ৷ রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভীষণ পছন্দের ৷ বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’থেকে এসব তথ্য পাওয়া যায় ৷ শিল্প-সংস্কৃতি অনুরাগী হাজার বছরের এই শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীকে নিয়ে এ পর্যন্ত বহু গান রচনা করেছেন গীতিকাররা,গেয়েছেন শিল্পীরা ৷ এখনো সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে ৷ নতুন প্রজম্মের শিল্পীর কন্ঠেও উঠে আসছে বঙ্গবন্ধু ৷
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গানঃ
এক মহাকাব্যের নাম বঙ্গবন্ধু ৷ শব্দ আর সুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রচিত গান বাঙালির জন্য প্রেরণার উৎস ৷ বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের অগ্রপথিক তিনি ৷ ০৭ ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর মহাকাব্যিক ভাষণ উদ্দীপিত করেছিল পুরোজাতিকে৷
বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত গানের সংখ্যা কম নয় ৷ এর মধ্যে কিছু গান পেয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা ৷ গানের কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে,গৌরি প্রসন্ন মজুমদারের লেখা-“শোনো একটি মুজিবুরের থেকে” গানটি ৷ এখনো সমান জনপ্রিয় ৷ যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে-“শোনো একটি মুজিবুরের থেকে/লক্ষ মুজিবুরের কন্ঠস্বরের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি/আকাশে বাতাসে উঠে রণি/বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ ৷” এই গানটি বাঙ্গালির হ্নদয়ে অফুরন্ত আশার সঞ্চার করেছিল ৷
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শিল্পীবৃন্দের গাওয়া গানের সংক্ষিপ্ত তালিকা নিম্নে দেওয়া হলোঃ
* সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালীর হে বিধাতা তোমায় নমস্কার—শিল্পীঃ মান্না দে, কথাঃ সলিল চৌধুরী, সঙ্গীতঃ কানু ঘোষ
* সাড়ে সাত কোটি মানুষের আরেকটি নাম মুজিবুর— কথাঃ শ্যামল গুপ্ত, সুরঃ বাপ্পি লাহিড়ী, শিল্পীঃ আব্দুল জব্বার
* স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের পরিত্রাতা কে—
কথাঃ লক্ষ্মীকান্ত রায়
* শোনো একটি মজিবরের থেকে—
কথাঃ গৌরী প্রসন্ন মজুমদার
সুর ও শিল্পীঃ অংশুমান রায়
* যদি রাত পোহালে শোনা যেত/বঙ্গবন্ধু মরে নাই/যদি রাজপথে আবার মিছিল হতো/বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই কথা-হাসান মতিউর রহমান, সুরঃ মলয় কুমার গাঙ্গুলি, শিল্পীঃ সাবিনা ইয়াসমীন ৷
* মুজিব বাইয়া যাও রে/নির্যাতিত দেশের মাঝে জনগনের নাও রে…কথাঃ মোঃ শাহ বেঙ্গোলী সুর ও কন্ঠঃ আব্দুল জব্বার ৷
* বঙ্গবন্ধু ফিরে এলে— শিল্পীঃ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, কথাঃ আবেদুর রহমান, সংগীতঃ সুধীন দাশগুপ্ত
* বাংলাদেশের হৃদয় তুমি, তুমি বাংলার নেতা— শিল্পীঃ আব্দুল জব্বার,গীতিকারঃ আমিরুল ইসলাম, সুরঃ গোলাম সারওয়ার
* আমরা সবাই বাঙ্গালী—শিল্পীঃ শ্যামল মিত্র, কথাঃ গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, সংগীতঃ শ্যামল গুপ্ত
* বঙ্গবন্ধু আবার যখন ফিরবেন—কথাঃ আবদুল গাফফার চৌধুরী, শিল্পীঃ হিমাংশু গোস্বামী
* শেখ মুজিব শেখ মুজিব— রথীন্দ্রনাথ রায়
* রেসকোর্সের ময়দানে—রথীন্দ্রনাথ রায়
* জন্ম যাদের একাত্তরের পরে—রথীন্দ্রনাথ রায়
* মুজিব তোমায় ভুলি নাই—সুবীর নন্দী
* অতুল তিনি—কন্ঠঃ রফিকুল আলম,কথাঃ সিরাজীর পারভেজ, সুরঃ আমিরুল ইসলাম
* বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব—সুর ও সংগীতঃ অশোক পাল,কথাঃ নাসিমা বেগম, শিল্পীঃ সুমন রাহাত,সালমা জাহান,শংকর কুমার পাল,সুস্মিতা সেন, বাবুল রেজা
* পিতার রক্তে রঞ্জিত—গীতিকারঃ সুজন হাজং
সুরঃ সুমন কল্যাণ , শিল্পীঃ ফাহমিদা নবী
* হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু—শিল্পীঃ কুমার বিশ্বজিৎ ,কথাঃ গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সুরঃ কিশোর দাস, সংগীতঃ মানাম আহমেদ
* সেদিন আকাশে শ্রাবণের মেঘ ছিল—বিটিভি আর্কাইভস
* বঙ্গবন্ধু তুমি আমার সোনার বাংলাদেশ— কথাঃ হুমায়ূন কবীর, সুরঃ মইনুল ইসলাম খান, শিল্পীঃ এস আই টুটুল
* বঙ্গবন্ধু তুমি শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী— কথা, সুর ও সংগীতঃ এস. ডি. রুবেল
* বঙ্গবন্ধু তুমি জাতির পিতা— কথা,সুর ও কন্ঠঃ কিরণ শংকর
* আজ মুজিবের জন্মদিন/বঙ্গ বাসীর প্রাণের দিন— কথা,সুর ও শিল্পীঃ তরুন চক্রবর্তী
* শোকের গান—কথাঃ শফিক তুহিন ও আবু সায়েম চৌধুরী, কন্ঠ ও সুরঃ শফিক তুহিন
* বাংলার শিরোনাম—কন্ঠঃ রবি চৌধুরী,কথাঃ শুক্লা পঞ্চমী, সুরঃ মুরাদ নূর
* স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে গান—সুরঃ বাপ্পী লাহিড়ী, কন্ঠঃ রবি চৌধুরী
* বঙ্গবন্ধুর সৈনিক—কথাঃ ফয়সাল রাব্বিকি কন্ঠঃ শহীদ ( দুরবীণ ব্যান্ডের প্রধান গায়ক )
* বঙ্গবন্ধু—কথাঃ দেওয়ান লালন, সুরঃ সাজেদ ফাতেমী , কন্ঠঃ লুমিন ( ফিডব্যাকের প্রধান গায়ক)
* মুজিব মানেই স্বাধীনতা— শিল্পীঃ শফিক তুহিন কথাঃ আবু সায়েম চৌধুরী
* বজ্রকন্ঠে স্বাধীনতা— কথাঃ শিব্বীর আহমেদ, কন্ঠঃ শফিক তুহিন, কিশোর দাস ও রোমানা আক্তার ইতি
* হয়নি তখন ভোরের আযান—শিল্পীঃ শফিক তুহিন কথাঃ শফিক তুহিন ও আবু সায়েম চৌধুরী
* মুক্তি চাই—লালন ব্যান্ড
* বঙ্গবন্ধু—কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতার সংযোজনে কথা, সুর ও শিল্পীঃ আল আমিন বাবু
* যতদিন রবে পদ্মা মেঘনা বহমান, ততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান —মমতাজ
* স্বপ্নে দেখেছি বঙ্গবন্ধুকে—কথা ও সুরঃ হাসান মতিউর রহমান, শিল্পীঃ মমতাজ
* মুক্তি মুজিবুরে—কথা,সুর ও কন্ঠঃ শতাব্দী ভবর
* বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা,দিয়েছো বাঙ্গালীর স্বাধীনতা—দিলীপ সেন
* ও মুজিব তুমি মিশে আছো—সুভাষ দাস
* মুক্তির সংগ্রাম—কথাঃ সুজন হাজং,সুরঃ সুমন কল্যান, শিল্পীঃ অবন্তী সিথী
* শুভ জন্মদিন জাতির পিতা তোমার জন্মদিন —বিটিভির শিল্পীবৃন্দ
* বঙ্গবন্ধু হে মহান নেতা—কথাঃ এমদাদ সুমন , সুরঃ এফ এ প্রিতম, শিল্পীঃ বর্ষা চৌধুরী
* আয়গো তোরা আয় কে কে যাবি বঙ্গবন্ধুর নায়— কথাঃ গৌরাঙ্গী গোস্বামী, সুরঃ মানিক যাযাবর শিল্পীঃ জুয়েল
* এসো হে বঙ্গ পিতা—কথা,সুর ও শিল্পীঃ সুমী শবনম
* তুমি বঙ্গবন্ধু,তুমি বাংলার স্বাধীনতা( দলীয় সংগীত) —কথাঃ তৌহিদ উল আলম
* কবির নামটি বঙ্গবন্ধু,কবিতাটি তাঁর ভাষণ—কথাঃ শাহ আলম সনি,শিল্পীঃ শান্ত ও রিপা
* মহান নেতা শেখ মুজিবের শুভ জন্মদিন—কথাঃ খালেদুর রহমান জুয়েল, শিল্পীঃ পারভেজ সাজ্জাদ ও আয়েশা মৌসুমী
* জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু—কথা,সুর ও কন্ঠঃ প্রীতম আহমেদ
* রক্তের ঋণ—কথা,সুর ও কন্ঠঃ হাবিব মোস্তফা
* পিতা—কণ্ঠঃ শিল্পী বিশ্বাস, সুর ও সঙ্গীতঃ সুমন কল্যাণ, কথাঃ সুদীপ কুমার দীপ
* বঙ্গবন্ধু তোমার লাগি রে কেঁদে ওঠে মন—কথাঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শিল্পীঃ রবিন ইসলাম মন্টু
* বঙ্গবন্ধু তুমি বাংলা মায়ের গর্বিত সন্তান—কথাঃ সোহেলী মাসুদ, কন্ঠঃ রোহান রাজ
* বঙ্গবন্ধু দেশের কথা জানাই তোমার কাছে ওরে—কথাঃ কামাল উদ্দিন, শিল্পীঃ ফরিদ বঙ্গবাসী
* টুঙ্গি পাড়ার সেই ছেলেটা—কথাঃ মাহবুবুর রহমান শিল্পীঃ আজাদ
* আমার বঙ্গবন্ধুরে তুমি কোথায় রইলা রে —কথা,সুর ও কন্ঠঃ মোঃ মুজিবুর রহমান
* পিতা—কথা,সুর ও কণ্ঠঃ শেখ মিলন
* জাতির পিতা তোমার শুভ জন্মদিন— কথা,সুর ও সংগীতঃ মীর হাসান স্বপন
* বঙ্গবন্ধু তোমায়—কথা, সুর ও শিল্পীঃ শহিদুল ইসলাম নয়ন
* তুমি জাতির পিতা বিশ্ব নেতা—কথা ও সুরঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শিল্পীঃ সায়েব আলী
* মুজিব আমার চেতনা—কথা ও সুরঃ মোস্তাক আহমেদ লাইফ,শিল্পীঃ মশিউর
* মুজিব রে কাঁদে বাঙ্গালী কাঁদে—কথা ও সুরঃ শাহীন সরদার, শিল্পীঃ আবু বকর সিদ্দিক ৷
* আজকের এই দিনে—কথাঃ জেসমিন আরা জুই, সুর ও কন্ঠঃ এ এফ এম ওবায়দুর রহমান
* বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ—কথাঃ খাজা সেলিম,সুরঃ সুজন রেজা, শিল্পীঃ রোহিত
* তিনি কি আসবেন— শিল্পীঃ গাজী মিজান, কথাঃ শফিক আলম মেহেদী
* সাত কোটি মানুষের মুক্তির জন্য—শেখ ফরিদ
* মধুমতি নদীর ধারে টুঙ্গিপাড়া গ্রাম—বেগম মমতাজ হোসেন
* তুমি আমার বঙ্গবন্ধু— কথা, সুর ও সঙ্গীতঃ অটামনাল মুন
* আমার বঙ্গবন্ধুর নৌকায় চড়ে—ওমর ফারুক
* বঙ্গবন্ধু ফিরে এসো—সায়েব আলী
* বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা—রোজিনা
* তুমিই বাংলাদেশ— মতিউর রহমান
* সেই ১৫ই আগস্ট—মতিয়ার রহমান
* ওগো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ মানুষ —মুনিয়া মুন
* বঙ্গবন্ধু তুমি না এলে—কথাঃ মির্জা রাকিব, সুর,সংগীত ও কন্ঠঃ মহিদুল হাসান মম
* এবারের সংগ্রাম,মুক্তির সংগ্রাম—কথাঃ গোলাম রাব্বানী ও সামি হক, শিল্পীঃ সামি হক,সরোয়ার
* খোকা তুমি জন্মেছিলে বলে জন্মেছে এ দেশ—কথা ও সুরঃ মনিরুজ্জামান খান সোসেফ,শিল্পীঃ রাজিয়া সুলতানা বৃষ্টি ও মনিরুজ্জামান খান যোসেফ
* কে বলে বঙ্গবন্ধু নাই—কথা, সুর ও কন্ঠঃ রবিন খান
* বঙ্গবন্ধু তুমি জাতির পিতা—শিল্পীঃ আজাদ, কথাঃ মাহবুবুর রহমান
* যদি জন্ম না হতো—কথা,সুর,কন্ঠঃ পলাশ মজুমদার
* বঙ্গবন্ধু—কথা,সুর ও কন্ঠঃ এ আর সুমন
* তুমি আরেকবার আসিয়া বাংলার মাটিতে—কথা ও সুরঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম,শিল্পীঃ সায়েব আলী
* কোন ফুলে সাজাবো তোমায় গো মুজিব—কথা ও সুরঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম
* ও মন বাউলা মনরে সোনার দেশে গাও মুজিবের গান—কথা ও সুরঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শিল্পীঃ সায়েব আলী
* ও বঙ্গবন্ধু তুমি—কথা,সুর ও কন্ঠঃ গোধুলি সেলিম
* বঙ্গবন্ধু বঙ্গ স্বপ্ন বঙ্গ মায়ের প্রাণ—কথা ও সুরঃ হাসানুর রশীদ, শিল্পীঃ স্বীকৃতি
* যার নেতৃত্বে পেয়েছি এদেশ,স্বাধীনতা সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান —কথা ও সুরঃ বাউল হাবিব
* বিশ্ব নেতা তুমি বিশ্ব নেতা—কথাঃ মনোয়ার হোসেন মিন্টু, শিল্পীঃলতিফ সরকার ও লিপি সরকার
* হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি—শিল্পীঃ সম্পা রানী
* বঙ্গবন্ধুরে প্রাণ থাকিতে ভুইলো না—নিঝুম সরকার
* বাংলাদেশের বুকে মুজিব থাকবে চিরকাল—জসীমউদ্দীন
* বঙ্গবন্ধু তুমি বাংলা বীর— কথা ও সুরঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শিল্পীঃ সায়েব আলী
* বঙ্গবন্ধু ফিরে এসো—কথাঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম,শিল্পীঃ সায়েব আলী
* বঙ্গবন্ধু তোমার লাগি রে কেঁদে ওঠে মন—কথা ও সুরঃ খন্দকার রফিকুল ইসলাম, শিল্পীঃ সায়েব আলী
* জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তুলনা যার নাই— শিল্পীঃ রূপ সরকার
* বঙ্গবন্ধুর গান —বাউল হাবিব
* বঙ্গবন্ধু— কথা,সুর ও কণ্ঠঃ সৌরভ
* বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান—কথা,সুর ও কন্ঠঃ মাসুম
*শোকের গান —কথা,সুর ও কন্ঠঃ বকতিয়ার মীম সাদী, শিল্পীঃ ফরিদ বঙ্গবাসী
* আইজ আমার কান্দনের দিন—কথাঃ প্রিন্স সদরুজ্জামান চৌধুরী, শিল্পীঃপ্রদীপ কুমার মল্লিক
* জাতির পিতা—কথা ও সুরঃ আপেল খান,শিল্পীঃ রাফসান
* জাতির জনক—কথাঃ আর এস রমজান, শিশু শিল্পীঃ শেখ সাদ
* বঙ্গবন্ধু মানে—কথাঃ মিল্টন খন্দকার, শিশু শিল্পীঃ প্রেম ইসলাম
* বঙ্গবন্ধু তুমি জাতির পিতা—শিশু শিল্পীঃ আপন, কথাঃ ড.ইলা,সুরঃ এফ এ প্রিতম ৷
* আমাদের স্কুল—কথা ও সুরঃ মিছিল বঙ্গবাসী, শিল্পীঃ এস আই টুটুল,আঁখি আলমগীর,ইবরার টিপু,মিছিল বঙ্গবাসী ও বিন্দুকণা ৷
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ১০ টি গানের সমন্বয়ে এ্যালবাম “বজ্রকন্ঠের নায়ক”
কথাঃ আসমা টগর, সুর ও সংগীত পরিচালনাঃ সুজেয় শ্যাম ৷ গানের শিরোনাম-
পনের আগষ্টের বেদনা, শেখ মুজিবুর একটি নাম, বঙ্গবন্ধুকে জানো,শোনো নতুন প্রজন্ম,বঙ্গ মাতা, তাদের কেউ নাই,স্বাধীনতা তুমি,জয় বাংলা,একজনই শুধু এবং তোমরা ঘাতক ৷ কন্ঠ দিয়েছেন-প্রিয়াংকা গোপ,অপু,ইউসুফ আহমেদ খান,বন্দনা চক্রবর্তী,আবু বকর সিদ্দীক ও প্রিয়াংকা বিশ্বাস ৷
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রথম লেখা গানঃ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে অনেক গান লেখা হয়েছে ৷ লেখা হয়েছে কবিতা,ছড়া, প্রবন্ধ,নিবন্ধ অনেক কিছুই ৷ কিন্তু ১৯৭১ সালে লেখা গানের বিশেষত্ব অন্যরকম ৷ ওপার বাংলার প্রখ্যাত কবি,ছড়াকার,কাহিনীকার ও গীতিকার-লক্ষ্মীকান্ত রায়ের লেখা গানটিই শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লেখা প্রথম বাংলা গান ছিল বলে সম্প্রতি তিনি অভিমত প্রকাশ করেছেন ৷ লক্ষীকান্ত রায়ের লেখা— “স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের পরিত্রাতা কে?/ সাড়ে সাত কোটি বাঙালির আজ ভাগ্যবিধাতা কে?/একটি সুরেতে কে দিয়েছে বেঁধে বাঙালির অন্তর?/সে তো শেখ মুজিবুর/ধন্য হে মজিবুর ৷৷
গানটি লেখার ২৮ দিন পরে অংশুমান রায়ের অনন্য ও অত্যন্ত সুপরিচিত গান- “শোনো একটি মুজিবুরের থেকে / লক্ষ মুজিবুরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি-প্রতিধ্বনি/আকাশে বাতাসে ওঠে রণি/বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ” গানটি লেখা ও রেকর্ড করা হয়েছিল ৷
লক্ষীকান্ত রায়ের লেখা গানটির রেকর্ড প্রকাশিত হবার কয়েকদিন পরই শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যার উপস্থিতিতে তদানীন্তন বাংলাদেশ হাইকমিশনার হোসেন আলীর হাতে রেকর্ড তুলেও দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি ৷ ওপার বাংলার বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শ্রী সৌমেন অধিকারীকে একটি একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা তিনি জানান ৷
বাংলাদেশের মানুষকে জানানোর জন্য বাংলাদেশের সাংবাদিক মহলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে নিজ হাতে একটি চিঠি লিখেছিলেন তিনি ৷ পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রচারিত ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’থেকে সেই গান নিয়মিত প্রচারিত হয়েছে এবং একটি যুদ্ধকালীন প্রামাণ্যচিত্রে গানটি ব্যবহৃত হয় ৷( সূত্রঃ ঢাকা টাইমস-১২ মার্চ ২০১৭)
বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবর্ষে শত ভাষায় গানঃ
টি মিউজিকের ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে শত ভাষায় গান করা হচ্ছে ৷ “বঙ্গবন্ধু তুমিই বাংলাদেশ” শিরোনামের গানটির গীতিকার-তৌহিদ ইথুন, সুরকার- যাদু রিছিল ৷
বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর জন্য এবং বিশ্বব্যাপী এই মহান নেতাকে তুলে ধরতেই এই প্রচেষ্টা ৷ “বঙ্গবন্ধু তুমিই বাংলাদেশ” শিরোনামে এই গানের প্রথম অন্তরা হল- তুমি নিপীড়িত মানুষের জেগে ওঠার কবিতা/ তুমি বিশ্বের বুকে বাংলা মায়ের ছবিটা/ তুমি মিছিলে প্রতিবাদে উত্তাল স্লোগান/তুমি সংগ্রামী ইতিহাস, শোষণ, মুক্তির গান/ তুমি বঙ্গবন্ধু,তুমিই বাংলাদেশ/বঙ্গবন্ধু তুমি লাল-সবুজের একটি দেশ ৷
বাংলা ভাষার পাশাপাশি সার্কভুক্ত প্রত্যেক দেশের একজন করে শিল্পীসহ ভারতীয় হিন্দি, ইংরেজি,ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, এরাবিক, মান্দারিন, জাপানিজ, কোরিয়ান, ভিয়েতনামিজ, থাই, পোলিশ,রাশিয়ানসহ ১০০ ভাষার ১০০ জন শিল্পী এই গানে কণ্ঠ দিবেন ৷
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঐতিহাসিক সব গানে প্রত্যন্ত বাংলার ঘরে ঘরে সুর আর ছন্দে উচ্চারিত হয়েছে-বঙ্গবন্ধুর নাম ৷ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যত গান হয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ৷
বঙ্গবন্ধু বাংলার ইতিহাসে হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালা ৷ ১৯৭১ সালে যাঁর ডাকে লাখো মানুষ সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশকে করেছিল স্বাধীন ৷ আজও লাখো মানুষ মুজিবের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ৷ বিবিসির জরিপে তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ৷ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীকে শাহাদৎ বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা ৷ (চলমান)


