বর্ষার অবসানে রূপময় বাংলার ঋতু পরিক্রমায় স্নিগ্ধতা- কোমলতা নিয়ে আবির্ভূত হয় শরৎকাল।
নীলাকাশে সাদা মেঘের ভেলা ৷ কাশবনে মৃদুমন্দ দোলা ৷ রাতে আকাশে তারার মেলা ৷ এ ঋতুর রয়েছে অনন্য কিছু বৈশিষ্ট্য। এ সময় মেঘমুক্ত আকাশে শিমুল তুলোর মতো ভেসে চলে সাদা মেঘের খেয়া। চারদিক আমন ধানের সবুজ চারার ওপর ঢেউ খেলে যায় উদাসী হাওয়া। আদিগন্ত সবুজের সমারোহ। এ সময় ফোটে কাশ, গগন শিরীষ, ছাতিম, বকফুল, মিনজিরি, শেফালি ইত্যাদি। দূর্বা ঘাস ভিজে যায় হালকা শিশিরে।
বিলের জলে নক্ষত্রের মতো ফুটে থাকে সাদা ও লাল শাপলা। এ সময় ফল হিসাবে পাওয়া যায় আমলকী, জলপাই, জগডুমুর, তাল, অরবরই, করমচা, চালতা, ডেউয়া ইত্যাদি।
শরৎকাল উৎসবেরও ঋতু ৷ সনাতন সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গোৎসব এ সময়েই হয় ৷ আবহমান কাল ধরেই এ উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ ৷ এ উৎসবে সকল ধর্মের সকল বর্ণের মানুষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায় ৷
সব কিছু মিলে এই শরৎক্ষণেই বের হলো পলিমাটি সেপ্টেম্বর সংখ্যা ৷ সামনে অক্টোবরে শারদীয় দুর্গোৎসবে বের হবে অক্টোবর সংখ্যা ৷ সে সংখ্যায় সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছি ৷ সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় এখানেই রাখছি ৷ শরতের শুভ্রতা ছড়িয়ে পড়ুক সর জায়গায় ৷
—পংকজ পাল সম্পাদক, পলিমাটি ৷


