শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৬

ভজন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস-‘চন্দ্রমুখী জানালা’|| পর্ব-১২

বারো

মুক্তিবাহিনীর প্রতিরোধ

বাড়িতে রাজাকারের আক্রমণের পর বাবা যেন বদলে গেলেন। এক সময় পরিবারের সবাইকে বাঁচাতে কোন কোন দুর্বল মুহূর্তে ভারতে চলে যাওয়ার কথা ভাবতেন। এবার সে চিন্তা মন থেকে সরিয়ে ফেললেন। এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করতে আরম্ভ করলেন। মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে পাকাপাকিভাবে অবস্থান করেই এসব করতে লাগলেন যেন, পরিবারের চাপটা আর না থাকে।

আশ্বিন মাসের মাঝামাঝি মায়ের কন্যা সন্তান জন্ম নিলো। এক ছেলে এবং মেয়ের পরে আবারও কন্যা সন্তান। বাড়ির অনেকেই খুশি না হলেও বাবা-মায়ের এ নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই। এক অনিশ্চিয়তার মধ্যে গোটা দেশ। কখন কোথায় পালিয়ে যেতে হয়। সে চিন্তায় নিয়ে দিন-রাত্রি হয়। একেকটি দিন যেন পার হয় ঘাম দিয়ে জ্বর ছোটার মতো করেই। রাতে তেমন চিন্তা নেই, কারণ বিল এলাকায় এ সময়টিতে না-চলে নৌকা, না-থাকে পায়ে চলার অবস্থা। এমন অবস্থায় পাকিস্তানি মিলিটারি এলাকায় আসার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। তবুও একজন সন্তান-সম্ভবা মহিলাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া তো প্রায় অসম্ভবই। তাই মায়ের কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ার মনোকষ্টটুকু কেউই বাইরে প্রকাশ করেনি। অনেকেই বললো, কন্যা তো মায়ের জাতি, আর দেশও মায়ের মতোই। এ কন্যা সন্তানটিই হয়ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইংগিতবাহী।

রাজাকারেরা যে আমাদের বাড়ি আক্রমণ করেছে, সে খবর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছে গেছে। সবাই একটু আশ্চর্যই হয়েছেন, শওকত চেয়ারম্যান কথা দিয়ে কথা রাখলো না। লোক মুখে শোনা যাচ্ছে, শওকত চেয়ারম্যানকে কিংবা শান্তি কমিটির সাথে যোগাযোগ না করেই নাকি কালু রাজাকার আমাদের বাড়িতে সেদিন এ অভিযানে এসেছিল। বাবাকে ধরে নিয়ে যাওয়া কিংবা মেরে ফেলাই যে উদ্দেশ্য সেটা কারও বুঝতে আর বাকি রইল না।

একান্নবর্তী গার্হস্থ পরিবারের আর সব বাড়ির মতোই আমাদের বাড়িতেও দুটো উঠোন। একেবারে সামনের সারিতে গরুর ঘর এবং বসার ঘর, যাকে কাছারি ঘরই বলা হয়। তারপরে বিরাট উঠোন, যেখানে ধান মাড়াই, ধান শুকনোসহ নানা সাংসারিক কাজ করা হয়। একে বলা হয় বাহির বাড়ি। তারপরেই এক সারি টিনের ঘর। এ ঘরগুলোতেই সবার থাকার ব্যবস্থা। দু’ঘরের মাঝখান দিয়ে ভিতরের উঠোনে যাবার রাস্তা। এ ভিতরের উঠোনকে বলা হয় ভিতর বাড়ি। এ ভিতর বাড়ির পেছনের সারিতে রান্না এবং খাবারঘর। দুপাশে আরও কয়েক ঘর। রান্না ঘরের পেছনে বিশাল বাঁশ ঝাড়, তারপরে পুকুর।

বিরাট একান্নবর্তী পরিবারে বছরে প্রায় দু’একজনের সন্তান প্রসব হয়। তাই সন্তান জন্মের জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা রাখা আছে। সন্তান জন্মের প্রথম মাসটিতে অশৌচ পালন করে মাসহ সন্তানকে পৃথক করে রাখার ব্যবস্থা। যুদ্ধের জন্য বাবার পরামর্শে সেবার আর সন্তান জন্মের ঘরটিকে বাহির বাড়ি রাখা হলো না। সকল সংস্কারের ঊর্ধ্বে উঠে নিজেদের নিরাপদ রাখতেই সে ব্যবস্থা করা হলো ভিতর বাড়িতে।

সন্তান জন্মের পরে কিছু পারিবারিক ও ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করা হয়। সন্তান জন্মের ছ’দিনের দিন সন্ধ্যাবেলায় পাড়ার সবাইকে ডেকে বাতাসা-মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এর নাম ‘ছয়ষষ্ঠি’। উলুধ্বনি এবং সন্তানের মঙ্গল কামনাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। এখানেও ছেলে এবং মেয়ে সন্তানের জন্য আয়োজনে এবং উলুধ্বনিতেও তারতম্য আছে। ছেলে সন্তান হলে বেশি উলুধ্বনির ব্যবস্থা। মেয়ে সন্তানের জন্য তার অর্ধেক।

সেবার আমাদের বাড়িতে কোনো আয়োজনের ব্যবস্থাই হলো না। ছয়ষষ্ঠি’র দিন উলুধ্বনির ব্যবস্থা করা হলো, সেটিও খুব ক্ষীণস্বরে, যেন শব্দ বাড়ির বাইরে না যায়। কোনো রকমে একমাসের অশৌচ পার করে ঘরে তোলা হলো মেয়েকে। ততদিনে কার্তিক মাস প্রায় শেষ হতে চলেছে। জল প্রায় শুকিয়ে গেছে। মাঠের পর মাঠে আমন ধানের শীষ জেগে উঠছে। জল প্রায় শুকিয়ে গিয়ে মাঠগুলোতে শুধু আধা হলুদ আর আধা সবুজ রঙের সমারোহ। মাঠের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে যে জমিতে পাটের চাষাবাদ করা হয়েছিলো, সে ফাঁকা মাঠে নানা রঙের শাপলা এবং জলজ ফুল ফুটে আছে।

বিল এলাকার আমন ধান জল বাড়ার সাথে সাথেই বাড়ে। ফলে কোনো কোনো বছর আমন ধানের ডগা বিশ-ত্রিশ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে ওঠে। জল নামার সাথে সাথে দীর্ঘ আমনের ডগা আশপাশের জমিতেও নুয়ে পড়ে। ফলে ধান কাটার আগে জমির আইল চিনে নিয়ে পায়ে চলাচলের পথ তৈরি করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেই সাথে অসম্ভব মাঠের ভিতর দিয়ে যাতায়াত করা।

তাই গ্রামের সাথে থানা সদরের যোগাযোগ প্রায় অসম্ভবই এখন। গ্রামের খালগুলোর নাব্যতাও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে জলের অভাবে। নদীর সাথে সংযুক্ত বড় খালে তখন প্রচণ্ড ভাটির টান। থানা সদর থেকে খাল দিয়ে উজান স্রোত বেয়ে শুধু মাত্র গুন টেনেই কেবল নৌকা চলাচল সম্ভব।

তাই এত ঝক্কিঝামেলা পোহায়ে এলাকায় আনাগোনা ঝুকিপূর্ণ চিন্তা করেই হয়ত কালু রাজাকার এলাকা ছেড়ে থানা সদরে আস্তানা গেড়েছে। ইউনিয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান শওকত আলীও এখন আর বাড়িতে থাকেন না। থানা সদরে মিলিটারির কাছাকাছিই চলে গেছেন। অন্য রাজাকারেরাও সঙ্গীসাথির অভাবে একেবারে নিষ্ক্রিয়। মুক্তিবাহিনীর ছেলেরা মাঝেমধ্যে থানা সদরের আশপাশে ছোটখাট অপারেশন চালাতে লাগল এ সুযোগে।

থানা সদরকে এড়িয়ে চলে অনায়াসে মুক্তাঞ্চলে চলাচল করা যায়। এ সুযোগে এলাকায় মুক্তিবাহিনীতে আরও রিক্রুট করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন আওয়ামী লীগ ও বামপন্থী দলের নেতারা। হাইকমান্ড থেকে খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে চূড়ান্ত যুদ্ধ বেশি দেরি নয়। তাই সবার প্রস্তুতি যেন সেদিকেই।

মানিকগঞ্জ মহকুমা সদরে হালিম ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীর একটি দল বেশ তৎপর। ঘিওর-তেরশ্রী এলাকাতেও মুক্তিবাহিনীর অনেকগুলো কমান্ড সক্রিয়। বাবা ও তাঁর স্কুল-কলেজের শিক্ষকবন্ধুরা ছাত্রদের নিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন নিয়মিত। মুক্তিবাহিনী ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় ঘিওর-দৌলতপুর একরকমের অঘোষিত মুক্তাঞ্চলের মতোই হয়ে গেছে এখন। পাকিস্তানি মিলিটারিরা থানা সদরে ক্যাম্প করেই কাটাতে লাগল। রাজাকারদের উৎপাতের খবরও তেমন নেই কোথাও। গ্রামের অনেকে ধরেই নিচ্ছে যুদ্ধ শেষ হতে আর দেরি নেই।

ঘিওর থানা সদর থেকে কয়েক মাইল দূরে ঝিটকা হাটে পাকিস্তানি মিলিটারি আক্রমণ বসল এক বৃহস্পতিবার। এলোপাথারি গুলিতে প্রাণ হারাল হাটে ব্যবসাবাণিজ্য করতে আসা হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে অনেক মানুষ। যারা ধরা পড়ল তাদেরকে হিন্দু কি না পরীক্ষা করে প্রথমে আলাদা করা হলো। রাজাকারেরা পাকিস্তান মিলিটারির তদারকিতে লুঙ্গি খুলে খুলে প্রায় শ’খানেক মানুষকে আলাদা করে নদীর পাড়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করাল। তারপর মিলিটারিরা গুলি এবং ব্রাশফায়ার করে মারল।

মৃতদেহগুলো পাশের নদীতে যখন ফেলে দিল তখন সন্ধ্যে পেরিয়ে গেছে। কেউ বেঁচে রইল কি না সন্ধ্যার অন্ধকারে জানার উপায় নেই। হাত ও পা ধরে ধরে নিথর দেহগুলো নদীর কিনার থেকে রাজাকারেরা ছুঁড়ে ফেলছে নদীর জলে। আলো-আঁধারের অস্পষ্টতায় লাশগুলোর জলে পড়ার শব্দটুকুই কেবল ভেসে আসছে। সেই সাথে পাকিস্তানি মিলিটারিদের উন্মত্ত অট্টহাসি।

…..

দুপুরেই মুক্তিবাহিনীর কাছে খবর পৌছে গেছে যে, পাকিস্তানি মিলিটারি ঝিটকা হাটে আক্রমণ করেছে। ঘিওর থানার কমান্ডার মুনসুর আলীর নেতৃত্বে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কয়েকটি গ্রুপ সংগঠিত হয়ে প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নিল তখনই। সিদ্ধান্ত হলো ঝিটকা থেকে ঘিওর থানা সদরে মিলিটারির লঞ্চ ফিরে আসার পথে আক্রমণ করা হবে।

করজোনা গ্রামের কাছে যেখানে খাল নদীতে এসে পড়েছে তার থেকে একমাইল দূরে খালের দুপাশ থেকে আক্রমণের সিদ্ধান্ত হলো। দুপুরের পর থেকেই ছোট ছোট দলে মুক্তিযোদ্ধারা বাজারের থলিতে অস্ত্র-শস্ত্র গোলাবারুদ নিয়ে জমা করতে লাগল। বেশ কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে অল্প সময়ের প্রস্তুতিতে মুক্তিবাহিনী একটি ব্যাপক প্রতিরোধের পরিকল্পনায় অপেক্ষা করতে লাগলো করজোনা খালের দুইপাড়ে।

রাত আটটার দিকেই শুরু হলো যুদ্ধ। পাকিস্তানি মিলিটারির দুটি লঞ্চ করজোনার খালে ঢুকে পড়তেই মুক্তিবাহিনীর অগ্রবর্তী প্রথম দলটি আক্রমণ করে বসল। লঞ্চ ততক্ষণে খালের ভিতরে মাইল খানিক চলে এসেছে। লঞ্চ দুটি পাড়ে ভিড়িয়ে পাকিস্তানি মিলিটারিরা লঞ্চের সার্চ লাইট ঘুরাচ্ছে আর গুলি করছে। খালের অন্য পাড় থেকে মুক্তিবাহিনীর অন্য দলটি গুলি শুরু করতেই পাকিস্তানি মিলিটারি বুঝে গেছে এক শক্ত আক্রমণেমুখে পড়েছে আজ।

ভারী অস্ত্রের গুলির শব্দে রাত্রির আকাশে তখন রোশনাই আলো। গুলি পাল্টা গুলি চলতে লাগলো প্রায় ঘণ্টাখানিক। এর মধ্যে মিলিটারির দুটি লঞ্চের একটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বোঝা গেল। কয়েকজন চিৎকার দিয়ে লঞ্চ থেকে নদীতে পড়ে গেছে সে শব্দও খালের একটু দূরে বাঙ্কারের ভিতর থেকে শোনা গেল। এভাবে আরও এক ঘণ্টা গোলাগুলির পর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মিলিটারির লঞ্চ দুটি চারদিকে গুলি করতে করতে একসময় ভরা খালের ভিতর দিয়ে তীব্র বেগে মুক্তিবাহিনীর অস্ত্রের আওতার বাইরে চলে গেল। গোটা দশেক পাকিস্তানি সেনা খালের পানিতে পড়ে অদৃশ্য হয়ে গেল। লঞ্চের ভিতরেও হতাহত অনেক। বলা যায়, এক প্রকার পালিয়ে বাঁচলো পাকিস্তানি মিলিটারির আরও প্রায় অর্ধশত সৈন্য।

এক সময় লঞ্চের শব্দ দূরে মিলিয়ে গেল; সেই সাথে গুলির শব্দও। তখন খালের দুইপাড় থেকে মুক্তিবাহিনীর দুটি দল রাত্রির অন্ধকার কাঁপিয়ে দিগন্ত মাতিয়ে শ্লোগান দিতে দিতে বের হলো “জয় বাংলা, জয় বাংলা”। নিজেদের পক্ষে কোনো হতাহত ছাড়াই একটি সফল অপারেশনের খবর সে রাতেই সবখানে ছড়িয়ে গেল। সেই সাথে ঝিটকার হাটে শত শত মানুষকে হত্যা করার খবরও।

আনন্দ বেদনার এক মিশ্র আবহে গোটা এলাকাজুড়ে এক থমথমে অবস্থা। পাশের গ্রামগুলো থেকে ঝিটকার হাটের গণহত্যায় নিহতদের খবর আসতে লাগল পরের দিন। লাশের খোঁজে অনেকেই এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগাযোগ করছে। বাবার সাথে বাড়ির যোগাযোগ নেই প্রায় সপ্তাহ দুয়েক। করজোনা অপারেশনের খবর শোনার পর বাড়িতে সবাই নিশ্চিত হলো যে, বাবা কাছাকাছিই আছেন।

লেখক পরিচিতি

ভজন সরকার
ভজন সরকার
ভজন সরকারের জন্ম বাংলাদেশের ঢাকা জেলার ধামরাইয়ের মামাবাড়িতে । বেড়ে উঠেছেন মানিকগঞ্জ জেলার পশ্চিমের জনপদে ।বাবা-মা দু’জনেই স্কুল শিক্ষক । ভজন সরকার মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়েছেন তেরশ্রী কে এন ইনস্টিটিউশনে। তারপর ঢাকা কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(বুয়েট) এবং কানাডার উইন্ডসর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পুনরায় স্নাতক এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর শেষে কানাডায় স্থানীয় সরকারী সংস্থায় প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আছেন কানাডার ওন্টারিও প্রদেশের হ্যামিল্টন শহরে। বর্তমানে সিটি অব হ্যামিল্টনের ৩০ বছরের মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত। প্রথম বই ‘বিভক্তির সাতকাহন’ ‘মুক্তিচিন্তা প্রকাশনী’ থেকে প্রকাশের পরই ব্যাপকভাবে আলোড়িত এবং আলোচিত সবমহলেই। প্রধানত কবি হ’লেও লিখছেন নিবন্ধ, কলাম ও উপন্যাস বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক এবং সাপ্তাহিক পত্রিকায়। প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ হ’লোঃ বিভক্তির সাতকাহন ( প্রবন্ধ)- মুক্তিচিন্তা প্রকাশনী; ক্যানভাসে বেহুলার জল ( কাব্য)- নন্দিতা প্রকাশ; বাঁশে প্রবাসে ( প্রবন্ধ রম্যরচনা)- নন্দিতা প্রকাশ ; রেড ইন্ডিয়ানদের সাথে বসবাস (প্রবন্ধ)- নন্দিতা প্রকাশ; চন্দ্রমুখী জানালা ( উপন্যাস) - নন্দিতা প্রকাশ ।

আরও লেখা

spot_img

সাম্প্রতিক লেখা