মুজিবাখ্যান
আমার একটি বাসার কাছে গেলে নিজেকে মানুষ মনে হয় না। মনে হয় কোন এক বিষের পেয়ালায় জমা রাখা বিষাদেরপাত্র। দীর্ঘশ্বাসে বের হয়ে আসে-দূর হতে বহুদূর…বিকটগন্ধে বুকফাটে-কিছুই চাই না। আমি এদেশের মানুষের মুক্তি চাই। কে বলতে পারে এমন কথা- মুজিব ছাড়া।
চারিদিকে বারুদের কঠিন আঘাত-সিঁথানে স্ত্রী বাহুর করিডোরে ঘুমায়- নিজেকে ছুঁয়ে কখনো কখনো নেতা নিজেই বারুদ হয়ে ওঠেন- চোখের কোণে জলপদ্মের ছায়া বিশেষ এক রঙ হয়ে ঝিলিক দেয় বাংলার আকাশে- হয়তো অনেকে কল্পনায় আনতেও পারবেন না- কেননা- তিনিই আমাদের বঙ্গবন্ধু।
যুদ্ধের অনেক বাকি-স্বপ্নমমতায় যে মানুষটা নিখুঁত ছিল-মুখরতায় ভরিয়ে দিয়েছিল বাঙালির অন্তর-সেই আমি বা আমরা সুসজ্জিত একরাতে বিভক্ত নাট্যমহড়ায় কেড়ে নিয়েছি-মধুমতির তীরের এক সৎ-সাহসী- বলিষ্ঠ রাখালের প্রাণ।
আজো জানালার পাশে হাজার মাতা-চেয়ে আছে- স্নিগ্ধ পলকে-রাখাল বেশে আসবে মুজিব সেই ভরসে…


